ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা জটিল ও চ্যালেঞ্জিং: ইসরাইল

নিজস্ব সংবাদ :

ইসরাইলে হামলায় ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক অংশেই গুচ্ছবোমা বা ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত আইডিএফের এক বিশেষ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইরান যুদ্ধের ময়দানে বিধ্বংসী ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে। খবর এপির।

আইডিএফের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বিশেষ ওয়ারহেডগুলো লক্ষ্যবস্তুর আকাশে পৌঁছানোর পর কয়েক ডজন ক্ষুদ্র সাব-মিউনিশনে বিভক্ত হয়ে যায়। প্রতিটি ক্ষুদ্র বোমায় কয়েক কেজি করে উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক থাকে, যা প্রায় ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি নিশ্চিত করতে সক্ষম।

ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং। যদিও ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কার্যকর, তবে আইডিএফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যেকোনো ব্যবস্থাই পুরোপুরি নিচ্ছিদ্র নয়। একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করলেও এর ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র বোমাগুলো নিচে পড়ে বড় ধরনের বিপদ ঘটাতে পারে।

আইডিএফের হোম ফ্রন্ট কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরান কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, বরং জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে। গত সোমবার মধ্য ইসরাইলের একটি নির্মাণাধীন এলাকায় ক্লাস্টার বোমার আঘাতে দু’জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং আরও কয়েকটি স্থানে বড় ধরনের ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, ইরান বর্তমানে একযোগে অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র না ছুড়ে অল্পসংখ্যক কিন্তু শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। ধারণা করা হচ্ছে, বড় আকারের সমন্বিত হামলা চালাতে তেহরান কিছুটা সমস্যার মুখে থাকলেও গুচ্ছবোমার মাধ্যমে তারা সীমিত হামলাতেই সর্বোচ্চ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর চেষ্টা করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা জটিল ও চ্যালেঞ্জিং: ইসরাইল

আপডেট সময় ১০:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলে হামলায় ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক অংশেই গুচ্ছবোমা বা ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত আইডিএফের এক বিশেষ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইরান যুদ্ধের ময়দানে বিধ্বংসী ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে। খবর এপির।

আইডিএফের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বিশেষ ওয়ারহেডগুলো লক্ষ্যবস্তুর আকাশে পৌঁছানোর পর কয়েক ডজন ক্ষুদ্র সাব-মিউনিশনে বিভক্ত হয়ে যায়। প্রতিটি ক্ষুদ্র বোমায় কয়েক কেজি করে উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক থাকে, যা প্রায় ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি নিশ্চিত করতে সক্ষম।

ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং। যদিও ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কার্যকর, তবে আইডিএফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যেকোনো ব্যবস্থাই পুরোপুরি নিচ্ছিদ্র নয়। একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করলেও এর ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র বোমাগুলো নিচে পড়ে বড় ধরনের বিপদ ঘটাতে পারে।

আইডিএফের হোম ফ্রন্ট কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরান কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, বরং জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে। গত সোমবার মধ্য ইসরাইলের একটি নির্মাণাধীন এলাকায় ক্লাস্টার বোমার আঘাতে দু’জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং আরও কয়েকটি স্থানে বড় ধরনের ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, ইরান বর্তমানে একযোগে অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র না ছুড়ে অল্পসংখ্যক কিন্তু শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। ধারণা করা হচ্ছে, বড় আকারের সমন্বিত হামলা চালাতে তেহরান কিছুটা সমস্যার মুখে থাকলেও গুচ্ছবোমার মাধ্যমে তারা সীমিত হামলাতেই সর্বোচ্চ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর চেষ্টা করছে।