নাগালের বাইরে অ্যান্টিবায়োটিক-ইনসুলিনসহ অন্যান্য ওষুধের দাম, নেপথ্যে কী?
জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজারে অনেক জরুরি ওষুধের তীব্র সংকট থাকলেও, ওষুধ প্রশাসন ও মালিক সমিতি দাবি করছে, গত এক বছরে দাম বাড়েনি। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মুনাফা লুট নাকি কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত; এই অস্থিরতার পেছনে প্রকৃত কারণ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
জরুরি ওষুধের জন্য হন্যে হয়ে এক ফার্মেসি থেকে অন্য ফার্মেসিতে ঘুরে ওষুধ মিললেও চড়া দামে হতাশ ২৩ বছরের তরুণ নাফি। তিনি জানান, ‘মিথাইফেনটেন’ নামের ওষুধটি প্রথমে দাম বাড়িয়ে ১৭০ টাকা করা হয়। এরপর ওষুধের স্টক লিমিটেড করে ফেলে, ১৫-২০ পিসের দাম দাঁড়ায় ২ হাজার ২০০ টাকা।’
ক্যানসার, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ-রোগ যাই হোক না কেন, বাজারে গেলে এভাবেই রোগীদের পকেট খালি হচ্ছে। গত কয়েক মাসে অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন ও হৃদরোগের ওষুধের দাম ৩০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমান বাজারে কিছু ওষুধের সংকট এবং চড়া দামের কারণে রোগীরা দিশেহারা।
ট্যাগস :
অ্যান্টিবায়োটিক ইনসুলিন


















