ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

মঙ্গলবার রাত থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট দূর হবে

নিজস্ব সংবাদ :

বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাত নিয়ে সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৮ সাল শুরু হওয়ার আগেই তৃতীয় এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে পাঁচটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এরই মধ্যে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দিয়েছেন এবং সরকারের দুই বছর, পাঁচ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদি অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি যে পরিকল্পনা রয়েছে বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের ক্ষেত্রে সেটি বিস্তারে উপস্থাপন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি উদাহরণ হিসেবে দেখি, গ্যাসের ক্ষেত্রে আমরা এরই মধ্যে জানি যে, দুটো এফএসআরইউ থাকার কারণে আমাদের একটা ডিপেন্ডেন্স তৈরি হয়েছে এবং তার মাঝে একটা দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট ছিল। বর্তমান সরকার শুধু সেটি রিপেয়ারই করছে না, সামনের দিনগুলোতে কীভাবে এফএসআরইউ সংখ্যা বাড়ানো যায়, প্রাথমিকভাবে তিনটি এবং তারপর আরও দুটি অর্থাৎ পাঁচটি করে দেওয়া যায়, সেজন্য একটা কার্যকর লক্ষ্যে কাজ শুরু হচ্ছে। আগামী ২০২৮ সাল শুরুর আগেই চেষ্টা করা হচ্ছে তৃতীয় এফএসআরইউটা সম্পৃক্ত করার জন্য, যার মাধ্যমে আমাদের গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে।’

মধ্যমেয়াদে প্রায় ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের প্রক্রিয়া চলমান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী উপস্থাপন করেছেন কীভাবে ১৫০টির মতো গ্যাসের কূপ খননের প্রক্রিয়া চলমান মধ্যমেয়াদে এবং তারপর এটি সম্পন্ন হওয়ার পর আরও ১৫০টি কূপ খননের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘শুধু এফএসআরইউ স্থাপন করা হচ্ছে না, এর পাশাপাশি ল্যান্ডবেসড এলএনজি টার্মিনাল কীভাবে করা যায় এবং কীভাবে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন করা যায়, সেগুলো নিয়ে সরকারের দিক থেকে বহুমুখী উদ্যোগ রয়েছে।’

বিদ্যুৎখাতের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমাদের তেল, গ্যাস এবং কয়লা থেকে একটা সমন্বিত উৎপাদনমুখী ব্যবস্থা যেখানে আমাদের বিদ্যুতের স্বনির্ভরতা থাকবে এবং এর পাশাপাশি বিশেষভাবে সোলার এনার্জিকে প্রাইওরিটাইজ করা হয়, সেটা উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সামনের দিনগুলোতে আমরা চাই আমাদের যেন বিদ্যুৎখাত বৈচিত্র্যময় হয় এবং আমাদের এনার্জি রিসোর্সে আমরা একদিকে যেমন সেলফ সাফিসিয়েন্ট হবো, একই সঙ্গে সোলার এনার্জিকে সবচেয়ে বেশি প্রাইওরিটাইজ করবো।’

তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের ২১টি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন এবং এপেক্স বডির যারা শীর্ষ নেতৃত্ব ছিলেন এবং আমাদের গণমাধ্যমের কিছু পরিচিত মুখ, ওনারা ওনাদের বিভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছেন।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:২১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

মঙ্গলবার রাত থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট দূর হবে

আপডেট সময় ০১:২১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাত নিয়ে সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৮ সাল শুরু হওয়ার আগেই তৃতীয় এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে পাঁচটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এরই মধ্যে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দিয়েছেন এবং সরকারের দুই বছর, পাঁচ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদি অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি যে পরিকল্পনা রয়েছে বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের ক্ষেত্রে সেটি বিস্তারে উপস্থাপন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি উদাহরণ হিসেবে দেখি, গ্যাসের ক্ষেত্রে আমরা এরই মধ্যে জানি যে, দুটো এফএসআরইউ থাকার কারণে আমাদের একটা ডিপেন্ডেন্স তৈরি হয়েছে এবং তার মাঝে একটা দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট ছিল। বর্তমান সরকার শুধু সেটি রিপেয়ারই করছে না, সামনের দিনগুলোতে কীভাবে এফএসআরইউ সংখ্যা বাড়ানো যায়, প্রাথমিকভাবে তিনটি এবং তারপর আরও দুটি অর্থাৎ পাঁচটি করে দেওয়া যায়, সেজন্য একটা কার্যকর লক্ষ্যে কাজ শুরু হচ্ছে। আগামী ২০২৮ সাল শুরুর আগেই চেষ্টা করা হচ্ছে তৃতীয় এফএসআরইউটা সম্পৃক্ত করার জন্য, যার মাধ্যমে আমাদের গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে।’

মধ্যমেয়াদে প্রায় ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের প্রক্রিয়া চলমান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী উপস্থাপন করেছেন কীভাবে ১৫০টির মতো গ্যাসের কূপ খননের প্রক্রিয়া চলমান মধ্যমেয়াদে এবং তারপর এটি সম্পন্ন হওয়ার পর আরও ১৫০টি কূপ খননের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘শুধু এফএসআরইউ স্থাপন করা হচ্ছে না, এর পাশাপাশি ল্যান্ডবেসড এলএনজি টার্মিনাল কীভাবে করা যায় এবং কীভাবে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন করা যায়, সেগুলো নিয়ে সরকারের দিক থেকে বহুমুখী উদ্যোগ রয়েছে।’

বিদ্যুৎখাতের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমাদের তেল, গ্যাস এবং কয়লা থেকে একটা সমন্বিত উৎপাদনমুখী ব্যবস্থা যেখানে আমাদের বিদ্যুতের স্বনির্ভরতা থাকবে এবং এর পাশাপাশি বিশেষভাবে সোলার এনার্জিকে প্রাইওরিটাইজ করা হয়, সেটা উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সামনের দিনগুলোতে আমরা চাই আমাদের যেন বিদ্যুৎখাত বৈচিত্র্যময় হয় এবং আমাদের এনার্জি রিসোর্সে আমরা একদিকে যেমন সেলফ সাফিসিয়েন্ট হবো, একই সঙ্গে সোলার এনার্জিকে সবচেয়ে বেশি প্রাইওরিটাইজ করবো।’

তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের ২১টি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন এবং এপেক্স বডির যারা শীর্ষ নেতৃত্ব ছিলেন এবং আমাদের গণমাধ্যমের কিছু পরিচিত মুখ, ওনারা ওনাদের বিভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছেন।’