ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিজার্ভ চুরি মামলায় ৯৮ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯৮ বারের মতো পেছাল এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ। দেশেরখবর

সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা দাখিল করতে পারেনি।

এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নতুন করে আগামী ১৯ অক্টোবর পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে নেয়।

ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তায় ওই অর্থপাচার সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেন।

এটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে। এক দিন পর, ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেন। তখন থেকে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিজার্ভ চুরি মামলায় ৯৮ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ

আপডেট সময় ০৩:০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯৮ বারের মতো পেছাল এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ। দেশেরখবর

সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা দাখিল করতে পারেনি।

এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নতুন করে আগামী ১৯ অক্টোবর পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে নেয়।

ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তায় ওই অর্থপাচার সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেন।

এটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে। এক দিন পর, ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেন। তখন থেকে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।